সালপ্রেক্স
Nebuliser Solution
🔒 Secure checkout · Return & Refund Policy
🔹 নির্দেশনা
🔹 ফার্মাকোলজি
ইনহেলেশনের পর ইপ্রাট্রপিয়াম ব্রোমাইড দ্রুত শােষিত হয়। ইনহেলেশনের পর সিস্টেমিক বায়ােএভেইলেবিলিটি ব্যবহৃত মাত্রার ১০% এর চেয়ে কম। শিরাপথে প্রয়ােগের পর ব্যবহৃত মাত্রার ৪৬% বৃক্কীয় নিঃসরণ হয়। শিরাপথে প্রয়ােগের পর টার্মিনাল এলিমিনেশন ফেইজের হাফ-লাইফ ১.৬ ঘন্টা। ওষুধ ও মেটাবলাইটসের এলিমিনেশন হাফ-লাইফ ৩.৬ ঘন্টা, রেডিও লেবেলিং এর পর নির্ণীত। ইপ্রাট্রপিয়াম ব্রোমাইড ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার আতিক্রম করে না।
ইনহেলেশন অথবা মুখে সেবনের পর সালবিউটামল সালফেট দ্রুত সম্পূর্ণভাবে শােষিত হয়। তিন ঘন্টার মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ ঘণমাত্রায় পৌঁছে এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে মূত্রের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। এলিমিনেশন হাফ-লাইফ ৪ ঘন্টা। সালবিউটামল ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার অতিক্রম করে, ইহা রক্তরসের ঘণমাত্রার ৫% পর্যন্ত হতে পারে।
একসাথে নেবুলাইজ করার ফলে ইপ্রাট্রপিয়াম ব্রোমাইড ও সালবিউটামল সালফেট কোনটির সিস্টেমিক শােষণ বাড়ে না। এই প্রিপারেশনের বাড়তি কার্যকারিতা ফুসফুসে শুধুমাত্র দুটোর সম্মিলিত স্থানীয় ক্রিয়ার ফলাফল।
🔹 মাত্রা ও ব্যবহারবিধি
- প্রাপ্ত বয়স্ক (বৃদ্ধ সহ): প্রতিবার একটি করে ৩ মি.লি. এ্যাপুল দিনে ৪ বার ব্যাবহার করুণ। প্রয়ােজনে, দিনে আরাে দুই বার অতিরিক্ত চিকিৎসা করা যেতে পারে।
- শিশু: ব্যাবহার ও ডোজ অবশ্যই চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।
🔹 মিথস্ক্রিয়া
জ্যানথিন ডেরিভেটিভ, গ্লুকোকর্টিকয়েড এবং ডাইইউরেটিক এর সাথে একত্রে ব্যবহার বিটা-এগনিস্ট জনিত হাইপােক্যালেমিয়া বাড়িয়ে দিতে পারে। মারাত্মক এয়ারওয়ে অবস্ট্রাকশনের ক্ষেত্রে এ ব্যপারটি বিশেষ বিবেচনায় নেয়া উচিত। ডিগক্সিন নিচ্ছেন এমন রােগীদের ক্ষেত্রে হাইপােক্যালেমিয়া হলে এরিদমিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ সকল ক্ষেত্রে সিরাম পটাসিয়াম লেভেল মনিটর করতে হবে। বিটা ব্লকারের সাথে একত্রে ব্যবহার ব্রঙ্কোডাইলটর ইফেক্ট মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিতে পারে।
মনােএমাইন অক্সিডেজ ইনহিবিটর অথবা ট্রাইসাইক্লিক এন্টিডিপ্রেস্যান্ট দেয়া হচ্ছে এমন রােগীদের ক্ষেত্রে বিটা-এড্রেনার্জিক এগনিস্ট সতর্কতার সহিত ব্যবহার করতে হবে, কারণ এতে বিটা-এড্রেনার্জিক এগনিস্ট এর কার্যকারিতা বেড়ে যেতে পারে।
হ্যালােজেনেটেড হাইড্রোকার্বন এনেস্থেটিক যেমন: হ্যালােথেন, ট্রাইক্লোরােইথিলিন এবং এনফ্লুরেন এর ইনহেলেশন বিটা এগনিস্ট সমূহের কার্ডিওভাস্কুলার ক্রিয়া বাড়িয়ে দিতে পারে।
🔹 প্রতিনির্দেশনা
🔹 পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মাত্রায় বিটা-এগনিস্ট ব্যবহারে মারাত্মক হাইপােক্যালেমিয়া হতে পারে। অন্যান্য ইনহেলেশন থেরাপির মতাে কফ, জ্বালাপােড়া এবং দূর্লভ ক্ষেত্রে ইনহেলেশন সৃষ্ট ব্রঙ্কোস্পাজম হতে পারে।
অন্যান্য বিটা অনুকারীদের মতো বমিবমি ভাব, বমি, ঘাম, দূর্বলতা এবং মাংশপেশীর ব্যথা হতে পারে। দূর্লভ ক্ষেত্রে বিশেষ করে উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারের ফলে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ কমে যাওয়া, সিস্টোলিক রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, অ্যারিদমিয়া হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ইনহেলেশনের মাধ্যমে বিটা অনুকারী ব্যবহারে মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
সচরাচর পরিলক্ষিত নন-রেসপিরেটরি এন্টিকোলিনার্জিক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার মধ্যে মুখ শুকিয়ে যাওয়া এবং কথা বলতে সমস্যা পরিলক্ষিত হয়। বিচ্ছিন্ন ক্ষেত্রে চোখের সমস্যা (যেমনঃ চোখের মনি প্রসারণ, চোখে চাপ বৃদ্ধি পাওয়া, গ্লুকোমা এবং চোখে ব্যথা) যদি এরােসােলাইজড ইপ্রাট্রপিয়াম ব্রোমাইড এককভাবে অথবা এড্রেনার্জিক বিটা-২ এগনিস্ট এর সাথে চোখে প্রবেশ করে। বিরল ক্ষেত্রে চোখের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া, পরিপাকতন্ত্রের নাড়াচাড়া এবং মুত্রতন্ত্রের রিটেনশন হতে পারে যা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
🔹 গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
স্তন্যদানকালে: সালবিউটামল সালফেট এবং ইপ্রাট্রপিয়াম ব্রোমাইড সম্ভবত মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিন্তু নবজাতকের উপর এর প্রভাব অজানা। যদিও চর্বিতে অদ্রবণীয় কোয়াটার্নারী বেইসগুলাে মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয়, ইনহেলেশনের মাধ্যমে নিলে এমনটি নাও ঘটতে পারে। তবুও যেহেতু বেশীরভাগ সময় মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয়, তাই দুগ্ধ দানকালে ইহা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।